Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: নিউটাউনের ইকোপার্কে বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) একাধিক ইস্যুতে তৃণমূল কংগ্রেস ও মুখ্যমন্ত্রী (Mamata Banerjee)-কে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন। তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা, কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকা, বাংলাদেশ প্রসঙ্গ এবং আসন্ন নির্বাচনের প্রস্তুতি।

“দেশ নিজের ভূমি পুনর্দখল করবে” (Dilip Ghosh)
কেন্দ্রীয় বাহিনীর মোতায়েন নিয়ে তৃণমূলের অভিযোগের জবাবে দিলীপ ঘোষ বলেন, রাজ্যে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তাতে কঠোর পদক্ষেপ প্রয়োজন। তাঁর দাবি, রাজ্যে “দেশবিরোধী শক্তি” সক্রিয় এবং প্রশাসনের একাংশ তাদের সহায়তা করছে।
তিনি আরও বলেন, কেন্দ্রীয় বাহিনী আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং “দেশবিরোধী শক্তিকে ঠান্ডা” করতেই কাজ করবে। তাঁর বক্তব্যে বাংলাদেশ প্রসঙ্গ টেনে এনে রাজ্যের বর্তমান পরিস্থিতির তীব্র সমালোচনা করেন।
বিদেশনীতি বনাম রাজ্য রাজনীতি (Dilip Ghosh)
বাংলাদেশের এক ব্যক্তির ভারতে চিকিৎসার জন্য আগমন প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ তৃণমূলকে কাঠগড়ায় তোলেন। তাঁর মতে, এটি সম্পূর্ণভাবে ভারতের বিদেশনীতি অনুযায়ী ঘটে থাকে, অথচ তৃণমূল বিষয়টিকে রাজনৈতিক রঙ দিচ্ছে। তিনি অভিযোগ করেন, তৃণমূল বরাবরই কেন্দ্রের নীতির বিরোধিতা করে এবং আন্তর্জাতিক বিষয়েও বিভ্রান্তিকর অবস্থান নেয়।
“আমাদের বাঙালি প্রমাণ করতে হয় না” (Dilip Ghosh)
নববর্ষ উপলক্ষে বিজেপি প্রার্থীদের ‘বাঙালি পরিচয়’ তুলে ধরার প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, বিজেপির নেতাদের নিজেদের বাঙালি প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই। তিনি তৃণমূলকে কটাক্ষ করে বলেন, যারা বাইরের প্রার্থী এনে জেতায়, তাদেরই বরং বাঙালি পরিচয় প্রমাণ করা উচিত। পাশাপাশি তিনি রাজ্যের কৃষি ও মৎস্য নীতির সমালোচনা করে দাবি করেন, চাষি ও মৎস্যজীবীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন এবং বাইরের রাজ্য থেকে মাছ আনতে হচ্ছে।
“ভয় দেখিয়ে ভোট করানো আর চলবে না” (Dilip Ghosh)
একাধিক গ্রেফতার প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ কড়া বার্তা দিয়ে বলেন, যারা ভয় দেখিয়ে বা টাকা দিয়ে ভোট প্রভাবিত করার চেষ্টা করছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি ইঙ্গিত দেন, ভবিষ্যতে আরও অনেকেই আইনের জালে জড়াতে পারেন।

আরও পড়ুন: US Flight: একদিনেই বাতিল হাজারের বেশি উড়ান: ভ্রমণ মরসুমে আমেরিকায় চরম যাত্রী দুর্ভোগ
“এবার পরিবর্তন নিশ্চিত”
২০২১ সালের নির্বাচনে প্রত্যাশা পূরণ না হওয়ার প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, এবার বিজেপি আরও প্রস্তুত এবং সংগঠিত।
তাঁর দাবি, এবার যোগ্য প্রার্থীদেরই মাঠে নামানো হয়েছে এবং “কাউকে হাইজ্যাক” করতে হয়নি। তিনি আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে জানান, আগামী নির্বাচনে রাজ্যে পরিবর্তন অনিবার্য।



