Last Updated on [modified_date_only] by Sabyasachi Bhattacharya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: পার্থের পর মেলবোর্ন টেস্টও শেষ হলো মাত্র দুই দিনে। পার্থে লেগেছিল ৮৪৭ বল, মেলবোর্নে পাঁচ বল বেশি লেগেছে (England)।
অবশেষে জয়ের স্বাদ পেল ইংল্যান্ড (England)
এই মুহূর্তে ইংল্যান্ডের ড্রেসিং রুমে স্বস্তির হাওয়া। টানা তিন ম্যাচ হেরে অবশেষে জয়ের স্বাদ পেলেন বেন স্টোকসের দল। জো রুট ও স্টোকস ইংল্যান্ড দলের অন্যতম সেরা ক্রিকেটার। দলের প্রতি তাঁদের অবদান অনস্বীকার্য। তাঁদের নামের পাশেও রয়েছে কিংবদন্তি তকমা তবে তারপরেও অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে জয় ছিল ডুমুরের ফুল। অজিভূমে রুটের ১৮ তম টেস্ট ও স্টোকসের ১৩ তম টেস্টের দিনে এল জয়ের স্বাদ। সিরিজ হারলেও জয়ের অধরা স্বপ্ন এবার সত্যি হলো (England)।
শেষমেশ মেলবোর্নে অভিশাপ ভাঙল। অস্ট্রেলিয়াকে ৪ উইকেটে হারিয়ে রুট-স্টোকস কাটালেন দীর্ঘ জয়ের খরা। ২০১১ সালের জানুয়ারির পর এই প্রথম অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট জিতল ইংল্যান্ড।
তবে পার্থের পর মেলবোর্নের টেস্টও গড়াল না দুই দিনের বেশি। পার্থে লেগেছিল ৮৪৭ বল আর এখানে ৮৫২, আগের থেকে পাঁচ বল বেশি। অ্যাশেজ সিরিজের ইতিহাসে এর চেয়ে কম বলে টেস্ট শেষ হয়েছে মাত্র তিনবার। সব মিলিয়ে সিরিজের প্রথম চার টেস্ট শেষ হলো মাত্র ১৩ দিনে। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে দুই দিনে শেষ হওয়া এটি চতুর্থ টেস্ট।

ইংল্যান্ড টস জিতে প্রথমে বোলিং করার সিদ্ধান্ত সঠিক প্রমাণিত হয়। অস্ট্রেলিয়ার প্রথম ইনিংস মাত্র ১৫২ রানে গুটিয়ে যায়। মাইকেল নেসের সর্বাধিক ৩৫ রান করেন। তার বাইরে কোনও ব্যাটার ৩০ রানের গণ্ডি ছুঁতে পারেননি। ইংল্যান্ডের হয়ে জশ টাং সর্বাধিক ৫ উইকেট নেন। গাস অ্যাটকিনসনও নিয়েছিলেন ২ উইকেট।

জবাবে ইংল্যান্ডের ব্যাটিংও খুব একটা ভাল হয়নি। অস্ট্রেলিয়া তাদের মাত্র ১১০ রানে অলআউট করে দেয় এবং ৪২ রানের লিড পায়। ইংল্যান্ডের হয়ে হ্যারি ব্রুক সর্বাধিক ৪১ রান করেন এবং তিনিই একমাত্র ব্যাটার যিনি ৩০ প্লাস রান করতে সক্ষম হন। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে মাইকেল নেসের সর্বাধিক ৪ উইকেট নেন। স্কট বোল্যান্ড পান ৩ উইকেট এবং মিচেল স্টার্কও ২ উইকেট নেন (England)।
প্রথম ইনিংসে ৪২ রানের লিড হাতে নিয়ে ব্যাট করতে নাম অস্ট্রেলিয়া। তবে অস্ট্রেলিয়ার দ্বিতীয় ইনিংসও ব্যর্থ হয়। মাত্র ৩৪.৩ ওভারে ১৩২ রানে অলআউট হয়ে যায়। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ট্র্যাভিস হেড সর্বাধিক করেন ৪৬ রান, বাকি ব্যাটাররা ব্যর্থ হন। ইংল্যান্ডের হয়ে ব্রায়ডন কার্স দুর্দান্ত বোলিং করে ৪ উইকেট নেন এবং দলকে ম্যাচে ফেরান। অধিনায়ক বেন স্টোকসও ৩ উইকেট নেন।
আরও পড়ুন: Digha Jagannath Temple: দিঘার জগন্নাথধামে এবার ভক্তদের ‘ধ্বজাসেবা’-র সুযোগ, জেনে নিন পদ্ধতি
১৭৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ইংল্যান্ড দুর্দান্ত সূচনা করে। জ্যাক ক্রলি ও বেন ডাকেট প্রথম উইকেটে ৫১ রান যোগ করেন। ক্রলি ৩৭ এবং ডাকেট ৩৪ রান করেন। এই সিরিজে ইংল্যান্ডের ওপেনিং জুটির এটি প্রথম অর্ধশতরানের পার্টনারশিপ ছিল। এর পর জ্যাকব বেথেল অসাধারণ ইনিংস খেলে দলকে জয়ের পথে নিয়ে যান। ১৪ বছর পর অস্ট্রেলিয়ায় টেস্ট ম্যাচ জিততে সক্ষম হয় এর ফলে ইংল্যান্ড। এর আগে ২০১১ সালে অস্ট্রেলিয়াকে তাদের ঘরে হারিয়েছিল ইংল্যান্ড (England)।


