Last Updated on [modified_date_only] by Debu Das
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল : ভারতীয় নৌসেনা (IN) আগামী ৬ অক্টোবর বিশাখাপত্তনমের নৌডকইয়ার্ডে কমিশন (Indian Navy Commission Androth) করতে চলেছে দ্বিতীয় অ্যান্টি-সাবমেরিন ওয়ারফেয়ার শ্যালো ওয়ার্টারক্রাফ্ট (ASW-SWC) ‘আন্দ্রোথ’। অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন ইস্টার্ন নেভাল কমান্ডের প্রধান, ভাইস অ্যাডমিরাল রাজেশ পেনঢারকর। এর মাধ্যমে নৌসেনার জন্য নির্মিত মোট ১৬টি জাহাজের সিরিজের দ্বিতীয় জাহাজ আনুষ্ঠানিকভাবে বহরে যুক্ত হবে।
আত্মনির্ভর ভারতের প্রতিফলন (Indian Navy Commission Androth)
কলকাতার গার্ডেন রিচ শিপবিল্ডার্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ার্স (GRSE) লিমিটেড এই জাহাজটি নির্মাণ করেছে(Indian Navy Commission Androth)। এতে ৮০ শতাংশের বেশি দেশীয় উপকরণ ব্যবহৃত হয়েছে। প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে ‘আত্মনির্ভর ভারত’ ভাবনার সাফল্য হিসেবে এই জাহাজকে দেখা হচ্ছে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের ডিরেক্টরেট অফ শিপ প্রোডাকশন ও কলকাতার ওয়ারশিপ ওভারসিয়িং টিমের তত্ত্বাবধানে এটি নির্মিত হয়। গত ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে নৌবাহিনীর হাতে জাহাজটি আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়।
নামের তাৎপর্য ও ঐতিহ্য (Indian Navy Commission Androth)
লক্ষদ্বীপ দ্বীপপুঞ্জের আন্দ্রোথ দ্বীপের নামানুসারে জাহাজটির নামকরণ করা হয়েছে। এর আগে INS Androth (P69) প্রায় ২৭ বছর ভারতীয় নৌবাহিনীর বহরে থেকে সাফল্যের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছে। সেই ঐতিহ্যকে নতুন মাত্রায় এগিয়ে নিয়ে যাবে আধুনিক প্রযুক্তি-সমৃদ্ধ এই যুদ্ধজাহাজ।

আরও পড়ুন : DRDO Launch Agni Prime : রেলভিত্তিক মোবাইল লঞ্চার সফল উৎক্ষেপণ অগ্নি-প্রাইম, কী এই রেলভিত্তিক মোবাইল লঞ্চার?
আধুনিক প্রযুক্তি ও ক্ষমতা
‘আন্দ্রোথ’-এ রয়েছে আধুনিক অস্ত্র ও সেন্সর স্যুট, উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং ওয়াটার জেট প্রপালশন প্রযুক্তি(Indian Navy Commission Androth)। এর ফলে জাহাজটি দ্রুতগতিতে চলতে সক্ষম হবে এবং সাবমেরিন সনাক্তকরণ, নজরদারি ও ধ্বংসে বিশেষ ভূমিকা নেবে। এছাড়া উপকূল প্রতিরক্ষা, সমুদ্র নজরদারি, সার্চ অ্যান্ড রেসকিউ অপারেশনেও এটি ব্যবহার করা যাবে।
আরও পড়ুন : Hanle to Chumar Road : লাদাখে হানলে-চুমার সীমান্ত সড়ক উদ্বোধন, কৌশলগত সুরক্ষা ও পর্যটনে নতুন দিগন্ত
প্রতিরক্ষা কৌশলে গুরুত্ব
ভারতীয় মহাসাগরীয় অঞ্চলে ক্রমবর্ধমান সাবমেরিন হুমকির মোকাবিলায় এই ধরনের জাহাজ নৌসেনার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ(Indian Navy Commission Androth)। নতুন আন্দ্রোথ যোগ হওয়ায় ভারতের অ্যান্টি-সাবমেরিন ওয়ারফেয়ার ক্ষমতা আরও শক্তিশালী হবে। একই সঙ্গে এটি বিশ্বমানের, সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে নির্মিত যুদ্ধজাহাজ হিসেবে ভারতের প্রতিরক্ষা শিল্পে আত্মবিশ্বাস বাড়াবে।
আধুনিক নকশা, দেশীয় প্রযুক্তি ও শক্তিশালী অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত ‘আন্দ্রোথ’-এর কমিশনিং শুধু ভারতীয় নৌসেনার সক্ষমতা বৃদ্ধি নয়, বরং ভারতের প্রতিরক্ষা স্বনির্ভরতারও এক বড় পদক্ষেপ। এই জাহাজ সমুদ্র প্রতিরক্ষা জোরদার করার পাশাপাশি উপকূলবর্তী এলাকায় জাতীয় সুরক্ষা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।


