Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: নদী ভাঙন রোধে নেওয়া কাজের অগ্রগতি খতিয়ে দেখতে সশরীরে হাজির হলেন রাজ্যের সমবায়, বন ও পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী দিবাকর ঘরামী (Diwakar Gharami)। রবিবার সোনামুখী ব্লকের রাধামোহনপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের বেশিয়া গ্রামে নদী বাঁধের কাজ পরিদর্শনে যান তিনি। আশ্চর্যজনকভাবে, কোনো সরকারি কনভয় ছাড়াই সাধারণ মানুষের মতোই নিজের মোটরবাইক চালিয়ে তিনি দুর্ঘটনাকবলিত এলাকায় পৌঁছান।

দীর্ঘদিনের আতঙ্কের অবসান (Diwakar Gharami)
দীর্ঘদিন ধরে বর্ষার মরসুমে বেশিয়া গ্রামের বাসিন্দারা নদী ভাঙনের আতঙ্কে দিন কাটাতেন (Diwakar Gharami)। বহু কৃষকের তিন ফসলি চাষের জমি নদী গর্ভে তলিয়ে যাওয়ায় সর্বস্বান্ত হয়েছেন অনেকে। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, বিগত সরকারের আমলে জনপ্রতিনিধিরা কেবল প্রতিশ্রুতিই দিয়ে গেছেন, কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি। এবার স্থানীয় মানুষের দীর্ঘদিনের এই কষ্টের কথা মাথায় রেখে সোনামুখী বিধানসভার বিধায়ক তথা রাজ্যের প্রতিমন্ত্রী দিবাকর ঘরামী উদ্যোগী হন। প্রায় ৪৩ লক্ষ টাকা ব্যয়ে বর্তমানে সেখানে নদী ভাঙন রোধে বাঁধ তৈরির কাজ শুরু হয়েছে।
কাজের গুণগত মান নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ মন্ত্রীর
এদিন সংশ্লিষ্ট দপ্তরের আধিকারিকদের সঙ্গে নিয়ে মন্ত্রী বাঁধের কাজের গুণগত মান খতিয়ে দেখেন। কাজে সন্তোষ প্রকাশ করে তিনি আশ্বাস দেন, আগামী দিনে এই এলাকায় স্থায়ী কংক্রিটের বাঁধ তৈরি করা হবে।
তৃণমূলকে তোপ দিবাকর ঘরামীর (Diwakar Gharami)
সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মন্ত্রী দিবাকর ঘরামী বলেন, “কাজের গুণগত মান একদম সঠিক রয়েছে। বিগত দিনে তৃণমূল কংগ্রেস উন্নয়নের নামে কোনো কাজই করেনি, বরং তোলাবাজি আর সিন্ডিকেট নিয়ে ব্যস্ত ছিল। আমরা মানুষের সমস্যার স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে কাজ করছি।”

আরও পড়ুন: Cancer Doubles: ২০৫০ সালের মধ্যে বছরে ৩.৫ কোটি ক্যানসার রোগী! সতর্ক করল WHO, প্রতিরোধেই জোর
মন্ত্রীর কর্মকাণ্ডে স্বস্তিতে গ্রামবাসীরা (Diwakar Gharami)
মন্ত্রীর এই কর্মকাণ্ডে খুশি স্থানীয় বাসিন্দারা। বিশ্বজিৎ দাস নামে এক গ্রামবাসী বলেন, “আগে অনেক প্রতিশ্রুতি শুনেছি, কিন্তু ভাঙন আটকানোর কোনো উদ্যোগ দেখিনি। দিবাকর বাবু দায়িত্ব নেওয়ার পর যেভাবে দ্রুত কাজ শুরু করেছেন, তাতে আমরা খুব খুশি। আশা করছি, আগামীতে আর আমাদের ভাঙনের ভয়ে দিন কাটাতে হবে না।”



