Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ধর্মতলার রণক্ষেত্রে সংবাদমাধ্যমের ওপর হামলা! আন্দোলনের খবর করতে গিয়ে ‘ককরোচ’ সমর্থকদের ভিড়ে মিশে থাকা ‘বহিরাগত’দের হাতে রক্তাক্ত হতে হয়েছে বেশ কয়েকজন সাংবাদিক ও চিত্রসাংবাদিককে (MLA Protest)। যা নিয়ে ইতিমধ্যে শোরগোল পড়ে গিয়েছে রাজ্য-রাজনীতিতে। এবার আন্দোলনের আঁচ পড়ল বঙ্গ বিধানসভায়। প্রতিবাদে শনিবারই রাজপথে নামছেন রাজ্যের বিধায়করা।

বিধায়কদের প্রতিবাদ (MLA Protest)
শনিবার দুপুর ১টা নাগাদ বিধানসভা থেকে প্রেস ক্লাব পর্যন্ত প্রতিবাদ মিছিলের আয়োজন করা হয়েছে। এই মিছিলে অংশ নেওয়া প্রতিটি বিধায়ক প্রতিবাদ জানাবেন কালো ব্যাজ পরে। রাজ্য রাজনীতির ইতিহাসে সাংবাদিক নিগ্রহের মতো কোনও ঘটনার প্রতিবাদে এভাবে সমস্ত বিধায়কদের একজোট হয়ে রাস্তায় নামার ঘটনা এই প্রথম।
আরও পড়ুন: Dharmendra Pradhan: ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে শহরে ৮ বাম ছাত্র সংগঠনের মহামিছিল
আক্রান্ত হয়ে এসএসকেএম (SSKM) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সাংবাদিকদের দেখতে শুক্রবার রাতেই হাসপাতালে যান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। হাসপাতাল চত্বরে মুখ্যমন্ত্রী তীব্র ক্ষোভ উগরে দিয়ে কড়া বার্তা দেন, ‘‘কটাদিন অপেক্ষা করুন, ওদের কী করতে হয়, আমি জানি।
ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন (MLA Protest)
এই ‘শুক্রবারই’দের দেখিয়ে দেব।” মুখ্যমন্ত্রী বেরিয়ে যাওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই হাসপাতালে যান ‘আসল’ তৃণমূলের বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। সাংবাদিকদের ওপর হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘‘এটা কোনও ছাত্র আন্দোলনের রূপ নয়। এটা চূড়ান্ত স্বৈরাচার। যেসব ভিডিও দেখলাম, তাতে প্রতিবাদীদের যা কথা শুনলাম, তাতে আমি বিস্মিত। ভাবতেই পারছি না এটা ছাত্রদের আন্দোলন!”
পুলিশ সূত্রে খবর, সংগৃহীত ভিডিও ফুটেজ খতিয়ে দেখে ইতিমধ্যেই হামলাকারীদের চিহ্নিত করার কাজ প্রায় শেষ। মুখ্যমন্ত্রীর আশ্বাস পাওয়ার পর, সাংবাদিকদের ওপর হামলায় জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।



