Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল, সুমনা বেরা: নিটের প্রশ্ন-ফাঁসের প্রতিবাদ ও কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে দফায় দফায় উত্তপ্ত রাজধানী (NEET Scam)। চলছে আন্দোলন, অনশন, স্লোগান। এই পরিস্থিতিতে শিক্ষামন্ত্রকের শীর্ষপদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হল উচ্চশিক্ষা সচিব বিনীত যোশীকে। তাহলে কী ছাত্রদের লাগাতার আন্দোলনের জেরে শিক্ষামন্ত্রকের শীর্ষ পদে রদবদল?
উচ্চশিক্ষা সচিবের বদলি (NEET Scam)
বিনীত যোশীকে উচ্চশিক্ষা সচিবের পদ থেকে সরিয়ে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে অপেক্ষাকৃত কম গুরুত্বপূর্ণ পঞ্চায়েত রাজ মন্ত্রকের সচিব পদে। তাঁর জায়গায় দায়িত্ব নিচ্ছেন ১৯৯৪ ব্যাচের আইএএস অফিসার নরেশ পাল গঙ্গওয়ার। একইসঙ্গে স্কুল শিক্ষা ও সাক্ষরতা বিভাগের নতুন সচিব হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে টি কে অনিল কুমারকে।
আরও পড়ুন: Cockroach janata party: সোনম অনশন ভাঙলেন, তবুও মোদির কড়া বার্তার পরও প্রতিবাদে অনড় পড়ুয়ারা
নিট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে উত্তাল সারা দেশ। ছাত্রদের ক্ষোভের আগুনে জ্বলছে রাজধানী। দিল্লির যন্তর মন্তরে চলছে টানা প্রতিবাদ কর্মসূচি। এই ছাত্র আন্দোলনে সংহতি জানিয়ে অনির্দিষ্টকালের জন্য অনশনে বসেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ তথা সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুক।
রাজপথের সংঘর্ষের আঁচ (NEET Scam)
প্রতিবাদের ধার আরও বৃদ্ধি পায় যখন ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (CJP)-র ডাকে লক্ষাধিক পড়ুয়া ও চাকরিপ্রার্থী রাজপথে নেমে ‘সংসদ ভবন অভিযান’-এর চেষ্টা করেন। সেই আন্দোলন ঘিরে রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় রাজধানী। বিক্ষোভকারীদের ওপর টিয়ার গ্যাস, জলকামান ও নির্বিচারে লাঠিচার্জ করার গুরুতর অভিযোগ ওঠে দিল্লি পুলিশের বিরুদ্ধে। একাধিক বিক্ষোভকারী আহত হন। রাজপথের এই সংঘর্ষের আঁচ গিয়ে পড়ে সংসদেও।
আরও পড়ুন: Kolkata CJP Protest: ইমেলে অনুমতি চেয়েও ব্যর্থ ককরোচ জনতা পার্টি
আন্দোলনের জেরেই শিক্ষামন্ত্রকের শীর্ষ পদে রদবদল?
চাপের মুখে নতিস্বীকার করে অবশেষে কেন্দ্র এই পদক্ষেপ করল বলে মনে করছেন রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক বিশেষজ্ঞরা। তবে আন্দোলনকারীদের দাবি কেবল প্রশাসনিক রদবদলে সীমাবদ্ধ নয়। ককরোচ জনতা পার্টির নেতৃত্ব এবং আন্দোলনকারী পড়ুয়ারা সাফ জানিয়েছেন, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ না হওয়া পর্যন্ত এবং নিট দুর্নীতিতে যুক্ত অপরাধীদের কঠোর শাস্তি না মিললে তাঁদের এই শান্তিপূর্ণ লড়াই থামবে না। পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকারের তরফে ‘ককরোচ’ আন্দোলনকারীদের সমস্যা সমাধানে পাশে থাকার আশ্বাস দেওয়া হলেও, শীর্ষ প্রশাসনিক বদলির মাধ্যমে আদৌ ক্ষোভ প্রশমিত হয় কি না, সেটাই এখন দেখার।



