Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: নেপালে আচমকাই নেমে এসেছে (Nepal Flash Flood) ভয়াবহ প্রাকৃতিক বিপর্যয়। অতিভারী বৃষ্টির পাশাপাশি তিব্বতে ভূমিকম্পের জেরে জলাধার ভেঙে হড়পা বান নেমে আসার সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে নেপাল প্রশাসন। তবে এই বিপর্যয়ের প্রকৃত কারণ নিয়ে এখনও পুরোপুরি নিশ্চিত নন বিশেষজ্ঞরা। ভূবিজ্ঞানীদের একাংশের মতে, তিব্বত এলাকায় হিমবাহ ধসের ফলেও এই ভয়াবহ বন্যার সূত্রপাত হতে পারে।
নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাপ্রাপ্ত (Nepal Flash Flood)
জানা যাচ্ছে, তিব্বতের লেন্দে (Nepal Flash Flood) নদীতে বরফের একটি বিশাল অংশ ধসে পড়ায় নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাপ্রাপ্ত হয়। ফলে সেখানে বিপুল পরিমাণ জল জমে যায়। পরে সেই জল প্রবল গতিতে নীচের দিকে নেমে এসে ভোতেকোশি নদীতে ভয়াবহ বন্যার পরিস্থিতি তৈরি করে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। পাহাড়ি নদীর জল আচমকা ফুলে ওঠায় মুহূর্তের মধ্যে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয় এবং একাধিক জায়গায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির ছবি সামনে এসেছে।
ক্ষতিগ্রস্ত একাধিক জেলা (Nepal Flash Flood)
রাসুয়া, নুয়াকোট, ধাদিং, চিতওয়ান-সহ নেপালের বেশ কয়েকটি জেলা এই বিপর্যয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। রাস্তাঘাট থেকে বসতি-বহু এলাকা কার্যত ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে জরুরি বৈঠক ডেকেছেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী।
এর মধ্যেই আরও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে কৈলাসগামী প্রায় ৪০০ তীর্থযাত্রীকে নিয়ে। তাঁদের মধ্যে অধিকাংশই ভারতীয়, পাশাপাশি ৯৩ জন নেপালের নাগরিক রয়েছেন বলে প্রশাসনিক সূত্রে খবর। তিব্বত সীমান্তে প্রবেশের আগেই তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়েছে।

প্রাকৃতিক দুর্যোগের এই ভয়াবহতায় নতুন করে সামনে এসেছে নেপালের বিপর্যয়ের ইতিহাস। ২০১৫ সালের বিধ্বংসী ভূমিকম্পের স্মৃতি এখনও তাজা। এবার হড়পা বান ঘিরে নতুন করে আশঙ্কা ও উদ্বেগ ছড়িয়েছে গোটা দেশে।



