Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: মধ্যমগ্রামের বাসিন্দা প্রিয়াঙ্কা দে। স্বামী ও মেয়েকে নিয়ে তাঁর ছোট্ট সুখের সংসার (Priyanka Dey)। কিন্তু সংসারের গণ্ডিতে নিজেকে আটকে রাখেননি তিনি। ঘর সামলানোর পাশাপাশি সমাজের সেই মানুষগুলির পাশে দাঁড়িয়েছেন, যাঁদের খবর অনেক সময় সমাজ রাখে না।

পুজোয় নতুন শাড়ির আনন্দ (Priyanka Dey)
প্রতিবছর দুর্গাপুজোর আগে সমাজের প্রান্তিক মানুষদের হাতে নতুন শাড়ি তুলে দেন প্রিয়াঙ্কা। তাঁর কাছে এই উদ্যোগ শুধু উপহার দেওয়া নয়, বরং উৎসবের আনন্দে তাঁদেরও সমান অংশীদার করে নেওয়া।
সোনাগাছির অন্ধকারে অন্য এক আলো
কলকাতার যৌনপল্লির একটি ছোট অংশকে ঘিরে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছেন তিনি। যৌনপল্লির নাম শুনলেই অনেকের মনে নেতিবাচক ধারণা তৈরি হয়। অথচ সেই অন্ধকার গলিতেই বহু নারী প্রতিকূলতার মধ্যেও জীবনযুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছেন।

প্রতিটি জীবনের পিছনে একেকটি গল্প (Priyanka Dey)
কারও জীবনে এসেছে পারিবারিক নির্যাতন, কেউ প্রতারণার শিকার, কেউ আবার পরিস্থিতির চাপে এই পেশায় এসেছেন। বাইরে থেকে যাঁদের জীবনকে সহজে বিচার করা হয়, তাঁদের প্রত্যেকের পিছনেই রয়েছে গভীর যন্ত্রণার গল্প।
আট বছরের বেশি সময় (Priyanka Dey)
প্রিয়াঙ্কার বিশেষ উদ্যোগ যৌনপল্লির বয়স্ক ও অসুস্থ মানুষদের নিয়ে। যাঁদের দেখভালের মতো কেউ নেই, তাঁদের পাশে গত আট বছরেরও বেশি সময় ধরে রয়েছেন তিনি। পুজোর সময় তাঁদের সঙ্গে খাওয়া-দাওয়া, আনন্দ আর উৎসবেও সামিল হন।

আরও পড়ুন: Suvendu on Mamata: মমতার পায়ে “ভুয়ো” চোট, তদন্তের দাবি শুভেন্দুর
অভাব আর স্বভাবের ফারাক
প্রিয়াঙ্কার উপলব্ধি, সমাজের চোখে পরিচয়ের পার্থক্য থাকলেও মানুষের মৌলিক চাহিদা একই। কেউ অভাবের তাড়নায়, কেউ আবার স্বভাব ও আকাঙ্ক্ষার তাড়নায় জীবনের পথে এগিয়ে চলেন। তাই বিচার নয়, প্রয়োজন সহমর্মিতা। একটি ছোট্ট উপহারও যে কারও মুখে হাসি ফোটাতে পারে—প্রিয়াঙ্কার কাজ সেই মানবিক বার্তাই তুলে ধরে।



