Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: বাংলাদেশে আটক চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীর মুক্তি এবং সে দেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবিতে শনিবার কলকাতায় শান্তিপূর্ণ গণসমাবেশ ও মিছিলের আয়োজন করা হয় (Chinmoy Krishna Das)। Nationalist Citizens Party of India (NCPI) এবং Vivekananda Mission Seba Pratisthan-এর যৌথ উদ্যোগে এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। শনিবার, ৩ অক্টোবর দুপুর ১২টা নাগাদ শিয়ালদহ স্টেশন চত্বর থেকে মিছিল শুরু হয়। কর্মসূচিতে সাধুসন্ত ও NCPI-এর সদস্যরা অংশ নেন।
কী কী দাবি উঠল? (Chinmoy Krishna Das)
আয়োজকদের পক্ষ থেকে মূলত তিনটি বিষয় সামনে রাখা হয়। প্রথমত, বাংলাদেশে আটক চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের অবিলম্বে মুক্তির দাবি। দ্বিতীয়ত, বাংলাদেশে বসবাসকারী সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। তৃতীয়ত, সংখ্যালঘুদের অধিকার এবং ধর্মীয় স্বাধীনতা রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপের দাবি জানানো হয়।
চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ২০২৪ সালের নভেম্বর থেকে বাংলাদেশে জেল হেফাজতে রয়েছেন। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশের হাইকোর্ট তাঁকে আরও দু’টি মামলায় জামিন দিলেও অন্যান্য মামলা চলায় তিনি এখনও মুক্তি পাননি। তাঁর বিরুদ্ধে মোট ছ’টি মামলা থাকার কথা জানিয়েছেন তাঁর আইনজীবী।
মৌলালি হয়ে বাংলাদেশ হাই কমিশনের পথে (Chinmoy Krishna Das)
আয়োজকদের নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী, শিয়ালদহ থেকে মিছিলটি মৌলালি হয়ে এজেসি বোস রোড ধরে বাংলাদেশ হাই কমিশনের দিকে এগিয়ে যায়। মিছিলের মাধ্যমে বাংলাদেশের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা এবং ধর্মীয় স্বাধীনতার বিষয়টি সামনে আনার চেষ্টা করা হয়।
আইনি প্রক্রিয়ার মধ্যেই মুক্তির দাবি (Chinmoy Krishna Das)
চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের বিরুদ্ধে চলা মামলাগুলির মধ্যে আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফের মৃত্যুর মামলাটিও রয়েছে। ওই মামলায় তাঁর জামিন প্রত্যাখ্যাত হয়েছে এবং বিচারপ্রক্রিয়া চলছে। অন্যদিকে, বিভিন্ন মামলায় তিনি ইতিমধ্যে জামিন পেয়েছেন। ফলে আইনি প্রক্রিয়া চলার মধ্যেই কলকাতায় তাঁর সমর্থকদের পক্ষ থেকে মুক্তির দাবি জোরালো করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: Modi Eden Mega Event: ইডেনের পুজোর অনুষ্ঠানে থাকবেন না প্রধানমন্ত্রী, তার বদলে কে?
শান্তিপূর্ণ কর্মসূচির বার্তা
শনিবারের কর্মসূচিতে কোনও সংঘাতের পরিবর্তে শান্তিপূর্ণ মিছিল ও গণসমাবেশের মাধ্যমেই দাবি তুলে ধরা হয়। সীমান্তের ওপারে সংখ্যালঘুদের অধিকার, নিরাপত্তা ও ধর্মীয় স্বাধীনতার প্রশ্নকে সামনে রেখে কলকাতার এই কর্মসূচি আন্তর্জাতিক ও আন্তঃসীমান্ত মানবাধিকার আলোচনার একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়কে ফের সামনে আনল।



