Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ক্যামাক স্ট্রিটে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অফিসের সামনে বেআইনি বিলবোর্ড খোলাকে কেন্দ্র করে অশান্তির ঘটনায় নতুন মোড় (Abhishek Banerjee)। তদন্তের স্বার্থে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় শেক্সপিয়র সরণি থানার পুলিশ। সেই কারণে তাঁকে থানায় হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের আগেই পুলিশের কাছে ই-মেল করে ৪৮ ঘণ্টা অতিরিক্ত সময় চেয়েছেন তিনি বলে সূত্রের খবর। এখন পুলিশের তরফে কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।
বেআইনি বিলবোর্ড ঘিরে অশান্তি (Abhishek Banerjee)
গত ২৭ অগস্ট ক্যামাক স্ট্রিটে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অফিসের সামনে বেআইনি বিলবোর্ড খোলাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায়। ওই ঘটনাকে ঘিরে পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ ওঠে, ঘটনাস্থলে পুলিশকর্মী ও পুরসভার কর্মীদের মারধর করা হয়েছে। এই অভিযোগের ভিত্তিতে শেক্সপিয়র সরণি থানায় তিনটি মামলা দায়ের হয়। ঘটনার তদন্তে নেমে প্রথম দফায় ১৩ জনকে গ্রেফতারও করে পুলিশ।
তদন্তের স্বার্থে অভিষেককে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় পুলিশ
সূত্রের খবর, পুরসভার দায়ের করা একটি মামলার তদন্তের স্বার্থেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় পুলিশ। সেই কারণেই তাঁর কাছে হাজিরার নোটিস পাঠানো হয়। রবিবার কালীঘাটে অভিষেকের বাড়িতে গিয়ে নোটিস দেয় শেক্সপিয়র সরণি থানার পুলিশ। সেখানে সোমবার সকাল ১০টার মধ্যে তাঁকে থানায় হাজির হতে বলা হয়েছিল।
আগেও নোটিস দেওয়ার চেষ্টা (Abhishek Banerjee)
এই ঘটনায় অভিষেককে নোটিস দেওয়ার চেষ্টা অবশ্য আগেও হয়েছিল। গত ৭ অক্টোবর শেক্সপিয়র সরণি থানার পুলিশ তাঁর কালীঘাটের বাড়িতে গিয়েছিল। তবে সেদিন তিনি বাড়িতে না থাকায় নোটিস দেওয়া সম্ভব হয়নি বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছিল। পরে রবিবার ফের তাঁর বাড়িতে গিয়ে নোটিস দেওয়া হয়। সেই নোটিসের পরিপ্রেক্ষিতেই এবার নির্ধারিত সময়ের আগেই ই-মেল করে ৪৮ ঘণ্টা সময় চেয়েছেন তৃণমূল সাংসদ বলে সূত্রের খবর।
আরও পড়ুন: Agnimitra Paul: ফ্যাশন ডিজাইনারের হাত ধরে হলুদ-লালে মাতছে কলকাতা
পুলিশের পরবর্তী পদক্ষেপ কী?
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আবেদন মঞ্জুর হবে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। পুলিশ তাঁকে অতিরিক্ত সময় দেয় কি না, নাকি হাজিরার বিষয়ে নতুন কোনও নির্দেশ দেয়, এখন সেটাই দেখার। তদন্তের স্বার্থে জিজ্ঞাসাবাদ ঘিরে পরবর্তী পদক্ষেপ কী হয়, সেদিকেই নজর রয়েছে। তবে ৪৮ ঘণ্টা সময় চাওয়ার পর পুলিশ কী সিদ্ধান্ত নেয়, তা জানা না পর্যন্ত পরবর্তী পরিস্থিতি সম্পর্কে নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না।



