Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: আজ জেন জি মঞ্চ জলপাইগুড়ির ককরোচ সদস্যরা জল শহরের ৩ নং ঘুমটির পেট্রোল পাম্পে জাতীয় পতাকা হাতে নিয়ে ককরোচের(আরশোলা) মুখোশ পরে অভিনব কায়দায় পেট্রোল ডিজেল রান্নার গ্যাস ও নিট পেপার কেলেংকারীর বিরুদ্ধে প্রতিবাদে সামিল হলো (Cockroach Protest)।

ককরোচ সদস্যদের প্রতিবাদ (Cockroach Protest)
ককরোচ সদস্যরা আগত পেট্রোল গ্রাহকদের হাতে প্রতিনিয়ত বাড়তে থাকা তেলের দামের বিরুদ্ধে মেলোডি চকলেট দিয়ে বলছেন, মেলোডি খাও, সব ভুলে যাও। সকলেই হতচকিত হয়ে যান। আন্দোলকারীদের একজন ককরোচ সদস্যকে জিজ্ঞেস করলে, ব্যাংগাত্মক ভাষায় বলেন, তেলের দাম বাড়ছে বাড়ুক, মেলোডি খান, সব ভুলে যান। এখন দেখার সরকার তেলের দাম হ্রাস করে কিনা?
‘ককরোচ জনতা পার্টি’ উদয় (Cockroach Protest)
ভারতের সোশ্যাল মিডিয়ায় হঠাৎ করেই আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’। ১৬ মে অভিজিৎ দিপকে নামে এক তরুণ এই ব্যঙ্গাত্মক ডিজিটাল রাজনৈতিক সংগঠন শুরু করেন। সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তের “ককরোচ” ও “প্যারাসাইট” মন্তব্য ঘিরে বিতর্কের পরই জন্ম নেয় এই দল। কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই CJP সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায়।

ডিলিট ককরোচ জনতা পার্টি-র অ্যাকাউন্ট (Cockroach Protest)
বর্তমানে ইনস্টাগ্রামে CJP-র ফলোয়ার সংখ্যা ১ কোটি ৯০ লক্ষেরও বেশি, যা ভারতের বহু প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক দলের থেকেও বেশি। এক্স (আগের টুইটার)-এও তাদের ২ লক্ষের বেশি ফলোয়ার ছিল। তবে বৃহস্পতিবার আইনি নির্দেশের জেরে অ্যাকাউন্টটি ডিলিট হয়ে যায়।
কে এই অভিজিৎ দিপকে? (Cockroach Protest)
রিপোর্ট অনুযায়ী, প্রায় ৩০ বছর বয়সী অভিজিৎ দিপকে পুনেতে সাংবাদিকতা নিয়ে স্নাতক স্তরে পড়াশোনা করেন। বর্তমানে তিনি বোস্টন ইউনিভার্সিটিতে পাবলিক রিলেশনস নিয়ে মাস্টার্স করছেন। ২০২০ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত তিনি আম আদমি পার্টির (AAP) সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনে মিম-ভিত্তিক ডিজিটাল প্রচারেও কাজ করেছিলেন তিনি।

আরও পড়ুন: Smart Border: স্মার্ট বর্ডার প্রকল্পে জোর শাহের, ‘প্রত্যেক অনুপ্রবেশকারীকে চিহ্নিত করতে হবে’
কী এই ‘ককরোচ জনতা পার্টি’?
CJP নিজেদের ওয়েবসাইটে দাবি করেছে, এটি “সিস্টেমের দ্বারা ভুলে যাওয়া মানুষদের রাজনৈতিক দল”। নিজেদের তারা “অলস ও বেকারদের কণ্ঠস্বর” বলেও উল্লেখ করেছে। দলের সদস্য হওয়ার জন্য মজার ছলে কিছু শর্তও দেওয়া হয়েছে “বেকার, অলস এবং সারাক্ষণ অনলাইনে থাকা” ব্যক্তি হতে হবে, সঙ্গে থাকতে হবে “পেশাদার অভিযোগ করার ক্ষমতা”।



