Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: স্কুলের পোর্টালে প্রযুক্তিগত সমস্যা দেখা দিলেও কোনওভাবেই বন্ধ করা যাবে না পড়ুয়াদের মিড ডে মিল বা পিএম পোষণ প্রকল্পের পরিষেবা (Mid Day Meal)। পড়ুয়াদের রান্না করা খাবার সরবরাহ যাতে কোনও পরিস্থিতিতেই ব্যাহত না হয়, তা নিশ্চিত করতে রাজ্যের সমস্ত জেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের স্পষ্ট নির্দেশ দিল স্কুলশিক্ষা দফতর। এই মর্মে স্কুলশিক্ষা দফতরের সচিবের তরফে নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে।
প্রযুক্তিগত ত্রুটির দায়ে বন্ধ নয় পিএম পোষণ (Mid Day Meal)
নির্দেশিকায় স্পষ্ট করে জানানো হয়েছে, পিএম পোষণ শুধুমাত্র পড়ুয়াদের পুষ্টি নিশ্চিত করার প্রকল্প নয়। স্কুলে পড়ুয়াদের উপস্থিতি বাড়ানো এবং স্কুলছুটের প্রবণতা কমাতেও এই প্রকল্পের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। ফলে কোনও প্রশাসনিক জটিলতা কিংবা প্রযুক্তিগত সমস্যার কারণে পরিষেবা বন্ধ রাখা যাবে না।
কোথায় তৈরি হয়েছে সমস্যা? (Mid Day Meal)
স্কুলশিক্ষা দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, সম্প্রতি রাজ্যের কয়েকটি ব্লকে JIT SNA SPARSH পোর্টাল ব্যবহারের ক্ষেত্রে প্রযুক্তিগত সমস্যা দেখা দিয়েছে। এর ফলে পিএম পোষণ প্রকল্প পরিচালনার বিভিন্ন প্রশাসনিক কাজে জটিলতা তৈরি হয়েছে। বিষয়টি সমাধানের জন্য অর্থ দফতর কাজ করছে বলে নির্দেশিকায় উল্লেখ করা হয়েছে। দ্রুত সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে বলেও জানানো হয়েছে।
পোর্টালের সমস্যা, কিন্তু খাবার সরবরাহে নয় (Mid Day Meal)
তবে পোর্টালের সমস্যা পুরোপুরি মিটে না যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করে স্কুলে রান্না করা খাবার সরবরাহ বন্ধ রাখা যাবে না। স্কুলশিক্ষা দফতরের নির্দেশ, প্রকল্পের কাজ স্বাভাবিক ও নিরবচ্ছিন্নভাবে চালিয়ে যেতে হবে। অর্থের কোনও ঘাটতি নেই বলেও স্পষ্ট করা হয়েছে নির্দেশিকায়। ফলে প্রযুক্তিগত ত্রুটিকে প্রকল্প বন্ধ রাখার কারণ হিসেবে দেখানো যাবে না।
দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের (Mid Day Meal)
পড়ুয়াদের নিয়মিত রান্না করা খাবার পৌঁছে দেওয়া এবং পিএম পোষণ প্রকল্পের পরিষেবা সচল রাখার দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক আধিকারিকদের। কোনও পরিস্থিতিতেই যাতে পড়ুয়াদের খাবার সরবরাহে বিঘ্ন না ঘটে, তা নজরে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন: Delhi Temperature Drop: বৃষ্টি-মেঘে কমল পারদ, দিল্লিতে ২১°! শীত কী এবার আগেই?
কারা পেলেন নির্দেশিকা?
রাজ্যের সমস্ত জেলাশাসক, শিলিগুড়ির মহকুমাশাসক, জিটিএ-র শিক্ষা দফতরের এগজিকিউটিভ ডিরেক্টর এবং কলকাতা প্রাথমিক স্কুল কাউন্সিলের চেয়ারম্যান ও সচিবের কাছে এই নির্দেশিকা পাঠানো হয়েছে। অর্থাৎ, প্রযুক্তিগত সমস্যা থাকলেও পড়ুয়াদের পুষ্টির সঙ্গে যুক্ত এই পরিষেবা যাতে একদিনের জন্যও থমকে না যায়, সেটিই এখন স্কুলশিক্ষা দফতরের প্রধান লক্ষ্য।



