Last Updated on [modified_date_only] by Sumana Bera
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: দুর্গাপূজার আগেই রাজ্য পর্যটন (Tourism) শিল্পে জোয়ার আনতে একাধিক বড় পদক্ষেপ পর্যটন দফতরের। ইউরোপীয় সার্কিট তৈরি থেকে টি ও অরেঞ্জ ফেস্টিভ্যাল এবং পর্যটন অ্যাপ, একগুচ্ছ মাস্টারপ্ল্যানের ঘোষণা মন্ত্রী শঙ্কর ঘোষের। একইসঙ্গে দার্জিলিং চায়ের নামে নেপালের নিম্নমানের চা বিক্রির বিরুদ্ধেও হুঁশিয়ারি পর্যটন মন্ত্রীর।
রাজ্য পর্যটন দফতরের মেগা মাস্টারপ্ল্যান (Tourism):
রাজ্যে বিদেশি পর্যটক টানতে ও ঐতিহাসিক ঐতিহ্যকে বিশ্বদরবারে পৌঁছে দিতে বড় পরিকল্পনা রাজ্য পর্যটন দফতরের। ঐতিহাসিক শহর চন্দননগরের ফরাসি কলোনিকে ঢেলে সাজানোর পাশাপাশি সেখানকার রেজিস্ট্রি বিল্ডিং পুনর্নির্মাণ করে ‘ইউরোপীয় সার্কিট’ গড়ে তোলার কাজ শুরু হচ্ছে। পাশাপাশি ব্যারাকপুরের ‘উৎসবধারা’কে ‘ফ্রম রাজ টু স্বরাজ’ পার্কে রূপান্তরিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন: BJP: মিষ্টি অপছন্দেই তাণ্ডব, প্রকাশ্যে বিজেপি নেতার দাদাগিরি!
এছাড়াও, বাংলার ও ভারতীয় টেবিল টেনিস টিমকে বিশেষ সহায়তা প্রদান এবং দুর্গাপূজার আগেই পর্যটন (Tourism) ব্যবস্থার প্রসারে সর্বাধুনিক নতুন মোবাইল অ্যাপ চালুর কথা জানিয়েছেন পর্যটন মন্ত্রী শঙ্কর ঘোষ। যেখানে ইতিমধ্যেই ব্যাপক বিনিয়োগের আগ্রহ তৈরি হয়েছে বলেও জানান তিনি।
কী কী পরিকল্পনা পর্যটন দফতরের?
- ব্যারাকপুরে গড়ে উঠবে ‘ফ্রম রাজ টু স্বরাজ’ পার্ক
- চন্দননগরে ফরাসি কলোনিকে ঢেলে সাজানোর পরিকল্পনা
- সাজানো হবে চন্দননগরে রেজিস্ট্রি বিল্ডিংকে
- চন্দননগরে তৈরি হবে ‘ইউরোপীয় সার্কিট’
- রাজ্যে অনুষ্ঠিত হবে জাঁকজমকপূর্ণ ‘টি ফেস্টিভ্যাল’ ও ‘অরেঞ্জ ফেস্টিভ্যাল’
- চা বাগানের ঐতিহ্যবাহী বাংলোতে পর্যটকদের থাকার সুব্যবস্থা
- মেডিক্যাল ট্যুরিজমে বিশেষ জোর
- রাজ্য ও জাতীয় টেবিল টেনিস দলকে স্পনসরশিপ ও সহায়তা দেবে পর্যটন দফতর
- বিশেষ বিশেষ দিনে ট্র্যাডিশনাল ড্রেস কোড চালু করা হবে
- পূজোর আগেই চালু হচ্ছে নতুন ট্যুরিজম অ্যাপ; বিনিয়োগের বিপুল সম্ভাবনা

উত্তরবঙ্গের পর্যটনকে নতুন মাত্রা দিতে রাজ্যে দ্রুত আয়োজন হতে চলেছে ‘টি ফেস্টিভ্যাল’ এবং ‘অরেঞ্জ ফেস্টিভ্যাল’। পর্যটকদের আকর্ষণ করতে চা বাগানের হেরিটেজ বাংলোতে থাকার বিশেষ বন্দোবস্ত এবং রাজ্যজুড়ে মেডিক্যাল ট্যুরিজমে বিশেষ নজর দিচ্ছে দফতর।
উত্তরবঙ্গের চা শিল্পের সুনাম রক্ষায় কড়া বার্তা দিয়েছেন মন্ত্রী শঙ্কর ঘোষ। বিশ্বখ্যাত ‘দার্জিলিং টি’-এর লেবেল লাগিয়ে নেপালের নিম্নমানের চা বাংলায় এনে বিক্রির যে চক্র চলছে, তা ধরা পড়লেই অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে নেওয়া হবে কঠোর আইনি পদক্ষেপ।
ঐতিহ্য রক্ষা, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং অনবদ্য পরিকল্পনার হাত ধরে দুর্গাপূজার আগেই বাংলার পর্যটন (Tourism) খাত এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে বলেই আশাবাদী রাজ্য সরকার।


