Last Updated on [modified_date_only] by Sabyasachi Bhattacharya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: বিশ্লেষকদের মতে শক্ত ভিতের উপর দাঁড়িয়ে এই তিন সংস্থার শেয়ার। এই তিন সংস্থার শেয়ারে নজর রাখার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের (Stocks)।
নজরে তিন শেয়ার (Stocks)
তিনটি বিষয়ের কথা মাথায় রেখে অনেক লগ্নিকারীরা উচ্চ ডিভিডেন্ড দেওয়া শেয়ারের দিকে ঝোঁকেন, সেগুলি হলো আর্থিক স্থিতিশীলতা, নিয়মিত ক্যাশ ফ্লো এবং ধারাবাহিক রিটার্ন। কিন্তু বছরের পর বছর ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পারে এমন সংস্থা খুব কম। এই তালিকায় যে সকল সংস্থা রয়েছে তাদের ঋণ প্রায় নেই বললেই চলে। তারা নিয়মিত ভাবে ডিভিডেন্ট দেয়। এমনই তিনটি শেয়ারের কথা বলা হয়েছে এই প্রতিবেদনে। ২০২৬ সালে ট্রেডিংয়ের জন্য এই তিন সংস্থার শেয়ারের পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা (Stocks)।
কোল ইন্ডিয়া
কোল ইন্ডিয়া লিমিটেড ভারতের বাইরে, গোটা বিশ্বের সবচেয়ে বড় কয়লা উৎপাদক সংস্থা। ২০২৫ অর্থবর্ষে সংস্থাটি ৭৮.১ কোটি টনের বেশি কয়লা উৎপাদন করেছে। ভারতের মোট কয়লা উৎপাদনের ৮০ শতাংশের বেশি আসে কোল ইন্ডিয়া থেকে (Stocks)।
২০১০ সালে তালিকাভুক্ত হওয়ার পর থেকে কোল ইন্ডিয়া একবারও ব্যর্থ হয়নি ডিভিডেন্ড দিতে । ২০২৫ অর্থবর্ষে সংস্থাটির ডিভিডেন্ড ইয়েল্ড ছিল ৬.২ শতাংশ। ২০২০ অর্থবর্ষের পর থেকে প্রতি শেয়ারে ডিভিডেন্ড ধারাবাহিকভাবে বেড়েছে এই সংস্থার।
ঋণের দিক থেকেও কোল ইন্ডিয়া রয়েছে শক্ত অবস্থানে। ২০২২ অর্থবর্ষের পর থেকে সংস্থাটির ডেট-টু-ইক্যুইটি অনুপাত ০.১-এর কম রয়েছে। প্রায় শূন্য ঋণ এবং ব্যবসায় স্থিতিশীলতা কোল ইন্ডিয়াকে লগ্নিকারীদের কাছে পছন্দের করে তুলেছে।
ক্যাস্ট্রোল ইন্ডিয়া
এই সংস্থা গাড়ি, মোটরসাইকেল ও বাণিজ্যিক ভেহিক্যালের জন্য লুব্রিকেন্ট এবং অটোমোবাইল ফ্লুইড তৈরি করে। শিল্পক্ষেত্রেও ক্যাস্ট্রোল ইন্ডিয়ার পণ্য ব্যবহৃত হয়। বর্তমানে সংস্থাটির ডিভিডেন্ড ইয়েল্ড ৪.৫ শতাংশ, যা প্রতিদ্বন্দ্বীদের তুলনায় বেশি।
এই সংস্থারও কোনও ঋণ নেই বললেই চলে। ২০২৪ সালে ডেট-ইক্যুইটি অনুপাত ছিল মাত্র ০.০৪। নিয়মিত ডিভিডেন্ড এবং প্রায় শূন্য ঋণের কারণে ক্যাস্ট্রোল ইন্ডিয়া রয়েছে বিনিয়োগকারীদের নজরে।

আরও পড়ুন: Sensex and Nifty: সপ্তাহের দ্বিতীয় দিনে ধাক্কা খেল দুই সূচক, পতন দুই বড় সংস্থার স্টকের
আইটিসি
আইটিসি লিমিটেড ভারতের অন্যতম বড় এফএমসিজি সংস্থা। সংগঠিত সিগারেট বাজারে সংস্থাটির দখল রয়েছে প্রায় ৮০ শতাংশ। দৈনন্দিন ব্যবহারের জন্য আইটিসির ২৫টির বেশি ব্র্যান্ড রয়েছে। এই তালিকায় রয়েছে একাধিক পরিচিত নাম, যেমন আশীর্বাদ, বিঙ্গো, সানফিস্ট, ফিয়ামা, ক্লাসমেট, মঙ্গলদীপ। কৃষিজ পণ্য রফতানির ক্ষেত্রেও আইটিসি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
গত ২৫ বছরে একবারও ডিভিডেন্ড দিতে ব্যর্থ হয়নি আইটিসি। ২০২১ অর্থবর্ষে যেখানে প্রতি শেয়ারে ডিভিডেন্ড ছিল ১০.৭৫ টাকা, ২০২৫ অর্থবর্ষে তা বেড়ে হয়েছে ১৪.৩৫ টাকা। আয়ের জন্য অনেকে পছন্দের তালিকায় থাকে এই সংস্থা (Stocks)।
(শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ সংক্রান্ত কোনও মত আমাদের নেই, এই লেখাটা শুধু তথ্যের জন্য। শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ একটি ঝুঁকিপূর্ণ বিষয়। এতে আর্থিক ক্ষতির সম্ভাবনা থাকে তাই বিনিয়োগ করার আগে মার্কেট সম্পর্কে ভাল করে জেনে নেওয়া দরকার। তাছাড়াও বিনিয়োগের আগে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নেওয়া বাঞ্ছনীয়।)


