Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় সহ ১০ বিদ্রোহী বিধায়ক এর বিধায়ক পথ খারিজ নিয়ে বিধানসভার স্পিকারের বিরুদ্ধে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের দায়ের করা মামলা কলকাতা হাইকোর্টে ফেরত পাঠালো সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ। সেই সঙ্গে আবেদন খারিজ করল শীর্ষ আদালত। কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতিকে এই আবেদনটি শুনানির জন্য নির্দিষ্ট ডিভিশন বেঞ্চ ঠিক করে দ্রুত নিষ্পত্তির অনুরোধও করেছেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত (Ritabrata Bandyopadhyay)।
১০ বিধায়কের দলত্যাগ (Ritabrata Bandyopadhyay)
ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় সহ বিদ্রোহী ১০ বিধায়কের দলত্যাগ বিরোধী আইনে বিধায়ক পদ খারিজ নিয়ে বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্রনাথ বসুর বিরুদ্ধে মমতা তৃণমূলের বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের দায়ের করা মামলা আবারও হাইকোর্টে ফেরত পাঠাল সুপ্রিম কোর্ট। বৃহস্পতিবার এই মামলার শুনানিতে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তর বেঞ্চ নির্দেশ দিয়েছে, এই মামলার বিচার প্রক্রিয়া কলকাতা হাইকোর্টেই করতে হবে।
পদ খারিজের আবেদন (Ritabrata Bandyopadhyay)
গত সেপ্টেম্বর মাসেই ঋতব্রত সহ ১০ বিদ্রোহী বিধায়কের দলত্যাগ বিরোধী আইনে বিধায়ক পদ খারিজের আবেদন জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল, ৭ অক্টোবরের মধ্যে বিধানসভার স্পিকারকে বিষয়টি বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হবে। কিন্তু আদালতের দেওয়া সময়সীমার মধ্যে স্পিকার কোনও সিদ্ধান্ত না নেওয়ায়, আবারও সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়।
আদালতে অভিযোগ (Ritabrata Bandyopadhyay)
এদিন প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে মামলার শুনানিতে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের আইনজীবী আদালতে অভিযোগ করেন, পাঁচ মাস পেরিয়ে গেলেও এখনও পর্যন্ত স্পিকার এই ব্যাপারে কোনও কার্যকরী পদক্ষেপ করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেননি। তাই বাধ্য হয়ে তাঁরা সরাসরি সুপ্রিম কোর্টে আবারও আবেদন করেছেন।
আরও পড়ুন: Kolkata Development: লন্ডনের অক্সফোর্ড স্ট্রিটের আদলে সাজবে কলেজ স্ট্রিট, বদলাবে বইপাড়া
মামলাকারীর আইনজীবীর এ কথা শুনে প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘সব রাজ্য যদি সুপ্রিমকোর্টে চলে আসে তাহলে কী করে চলবে!’ এরপরই প্রধান বিচারপতি তাঁর পর্যবেক্ষণে বলেন, ‘বিষয়টি যে পর্যায়ে রয়েছে তাতে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হওয়াই সঠিক আইনি পদক্ষেপ হবে। তাই আবেদনকারীকে হাইকোর্টে আবেদন করার স্বাধীনতা দেওয়া হচ্ছে। সেই কারণে এই পর্যায়ে মামলাটি আমরা খারিজ করে দিচ্ছি। আমি কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতিকে অনুরোধ করব, আবেদনটি যেন একটি ডিভিশন বেঞ্চে পাঠানো হয়। এবং সেই ডিভিশন বেঞ্চ যেন মামলাটির দ্রুত নিষ্পত্তি করে।’



