Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: বাংলার ১৬টি জেলার ১৫২টি আসনে চলছে (WB Assembly Election 2026) প্রথম দফার ভোটগ্রহণ। নির্বাচনকে অবাধ, শান্তিপূর্ণ ও স্বচ্ছ রাখতে এবার একাধিক কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। বিশেষ করে ইভিএমে কারচুপি রুখতেই বাড়তি সতর্কতা নেওয়া হয়েছে। প্রতিটি বুথে প্রিসাইডিং অফিসারদের জন্য জারি করা হয়েছে নির্দিষ্ট নির্দেশিকা, যাতে কোনওভাবেই ভোট প্রক্রিয়া প্রভাবিত না হয়।
ইভিএমে কারচুপির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স (WB Assembly Election 2026)
কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, ইভিএমের প্রতিটি (WB Assembly Election 2026) বোতাম ও প্রার্থীর প্রতীক স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান রাখতে হবে। কোনও বোতামের ওপর টেপ, আঠা বা অন্য কোনও বস্তু লাগানো যাবে না। এমনকি বোতাম চিহ্নিত করতে রং, কালি, পারফিউম বা রাসায়নিক ব্যবহারের উপরও সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। এই ধরনের কোনও চিহ্ন পাওয়া গেলে তা গুরুতর অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।
গোপনীয়তা রক্ষায় কড়া বার্তা (WB Assembly Election 2026)
ভোটারদের গোপনীয়তা রক্ষা করা কমিশনের প্রধান লক্ষ্য। তাই কোনওভাবেই ভোটের পছন্দ প্রকাশ পায় এমন কোনও পদক্ষেপ বরদাস্ত করা হবে না। কমিশন স্পষ্ট জানিয়েছে, ভোটের গোপনীয়তা নষ্ট করার চেষ্টা করলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আরও পড়ুন: EVM Malfunction Barua: তৃণমূলের বোতামে ভোট, জ্বলছে বিজেপির পাশে আলো! উত্তপ্ত নন্দীগ্রাম!
অস্বাভাবিক কিছু দেখলেই তাৎক্ষণিক রিপোর্ট
বুথে কোনও অস্বাভাবিকতা বা সন্দেহজনক ঘটনা নজরে আসামাত্রই প্রিসাইডিং অফিসারকে দ্রুত সেক্টর অফিসার বা রিটার্নিং অফিসারকে জানাতে হবে। ইভিএমে হস্তক্ষেপকে ‘টেম্পারিং’ হিসেবে ধরা হবে এবং এটি একটি গুরুতর নির্বাচনী অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে।
প্রয়োজনে পুনর্নির্বাচনের হুঁশিয়ারি
কমিশন জানিয়েছে, যদি কারচুপি বা অনিয়ম প্রমাণিত হয়, তবে সংশ্লিষ্ট বুথে পুনর্নির্বাচনের নির্দেশ দেওয়া হতে পারে। পাশাপাশি ফৌজদারি মামলাও দায়ের করা হবে। সব মিলিয়ে, ভোটারদের আস্থা বজায় রাখতে এবং সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে এবার কড়া অবস্থানে নির্বাচন কমিশন।


