Last Updated on [modified_date_only] by Sabyasachi Bhattacharya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: বৈভবের বৈভব দেখল ক্রিকেট বিশ্ব। এই তরুণ তুর্কির দাপটের সামনে আইপিএল অভিযান শেষ হল ঈশান কিষাণদের (SRH vs RR)
রাজস্থানের সামনে এবার গুজরাট (SRH vs RR)
কলকাতার আকাশে বৃষ্টির আগমন হলেও নিউ চণ্ডীগড়ের আকাশে তখন এক গুমোট ভাব। সেখানে চাপা উত্তেজনা কাজ করছে। আর সেটা হবে নাই বা কেন, এলিমিনেটরে মুখোমুখি হয়েছে হায়দরাবাদ এবং রাজস্থান রয়্যালস (SRH vs RR)।
এই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন হায়দরাবাদ অধিনায়ক প্যাট কামিন্স। তবে তখন যে হায়দরাবাদের বোলারদের ভাগ্যে কী অপেক্ষা করছে সেটা তখন ঈশ্বর ছাড়া আর কেউ জানেন না। খেলা শুরু হওয়ার পরেই সেটা টের পেলেন কামিন্সরা। বৈভব জ্বরে আক্রান্ত তখন গ্যালারি। এরপর থেকে মরু ঝড়ের নাম বদলে বৈভব সূর্যবংশী রাখলেও ভুল হবে না।
বৈভব নামক সেই ঝড় তখন তাণ্ডব চালাচ্ছে ২২ গজ জুড়ে। একের পর এক বলের ঠিকানায় লিখে দিচ্ছেন গ্যালারির নাম। প্যাট কামিন্স হোক বা মালিঙ্গা তখন সবাই যেন তাঁর কাছে পাড়ার বোলার। পিটিয়ে ছাতু করে দিচ্ছেন যেই আসছেন বল করতে। মাত্র ১৫ বলে নিজের অর্ধশতরান পূর্ণ করলেন এই বিস্ময় বালক। সেঞ্চুরি করার আগেই তাঁর খাতায় যোগ হয়ে গেছে ১২টি ছয়।
গ্যালারি জুড়ে শুধু বৈভবের বৈভব। তবে সেঞ্চুরি আগেই থামতে হল তাঁকে। ২৯ বলে ৯৭ করে থামল বৈভব সূর্যবংশীর তাণ্ডব। প্রফুলের বলে যেন প্রাণ ফিরল হায়দরাবাদের। যখন এই মরু ঝড় থামল তখন তাঁর স্ট্রাইক রেট ৩৩৪.৪৮। ৮ ওভার শেষে রাজস্থানের স্কোর তখন ১২৬ (SRH vs RR)।
আরও পড়ুন: Anik Dutta: অনীক দত্তের মৃত্যু নিয়ে সিপিআই (এম) রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিমের প্রতিক্রিয়া
আজকের ম্যাচ বৈভবময়। তাঁর দাপটে ১৪ বছর ধরে অক্ষত থাকা গেইলের রেকর্ড। আইপিএল-এর একটা মরশুমে সবচেয়ে বেশি ছয় মারার রেকর্ড এখন বৈভবের দখলে (SRH vs RR)।
২০১২ সালের আইপিএল-এ গেইল হাঁকিয়েছিলেন ৫৯টি ছক্কা। বুধবার আইপিএল-এর গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে সেই রেকর্ড ভাঙলেন এই তরুণ তুর্কি। তাঁর ছয়ের সংখ্যা এখন ৬৫।
তিনি আউট হলে ধ্রুব জুড়েল ৫০ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলেন। ২০ ওভারের শেষে ২৪৩ রানে শেষ হয় রাজস্থানের ইনিংস।
রান তাড়া করতে নেমে টপ অর্ডার ব্যাটারদের যে শুরুটা করতে হয় সেখানেই ব্যর্থ হন SRH-র ব্যাটাররা। শূন্য রানেই ফেরেন অভিষেক শর্মা। এরপর ট্র্যাভিস হেডও ফেরেন ১৭ রানে। খেলার রাশ ধীরে ধীরে বেরিয়ে যেতে থাকে কামিন্সদের হাত থেকে। ঈশান কিষাণ ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে কিছুটা সামাল দেওয়ার চেষ্টা করলেও তিনি ১১ বলে ৩৩ করে আউট হন। এরপর নীতিশ কুমার রেড্ডি ৩৮ এবং সলিল অররা ৩৫ করে ফিরলে সব আশা এখানেই শেষ হয়ে যায়। ৪৭ রানে ম্যাচ জিতে ফাইনালের দিকে আরঅ একধাপ এগোল রাজস্থান। রাজস্থানের হয়ে আর্চার নেন ৩টি উইকেট। রবীন্দ্র জাদেজা, বার্গার নেন দুটি করে উইকেট।


